/* SC_TH_END:4.3.24:4b1391d5 */ /* SC_TH_END:4.5.3:4b1391d5 */ app.tripuratime24.in -
Home Blog

মাতাবাড়িতে ‘মন কি বাত’ শুনলেন অভিষেক দেবরায়

মাতাবাড়িতে ‘মন কি বাত’ শ্রবণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন অভিষেক দেবরায়

উদয়পুর, ৩১ মে: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩৪তম পর্ব উপলক্ষে রবিবার মাতাবাড়ি বিধানসভার ৪৪ নম্বর বুথে একটি বিশেষ শ্রবণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায়।

এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাতাবাড়ি মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ মারাক, গোমতী জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক উত্তম দে এবং মণ্ডল সাধারণ সম্পাদক বিনয় দাস। এছাড়াও বহু বিজেপি নেতা ও কর্মী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন উপস্থিত সকলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দেবরায় ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠান দেশের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যের সাধারণ মানুষের সাফল্য, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমাজসেবামূলক কাজের কথা সামনে আসে।

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, ‘মন কি বাত’ দেশের নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে এটি জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে, অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়েও মতবিনিময় হয়।

সব মিলিয়ে, মাতাবাড়ির এই শ্রবণ কর্মসূচি বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহের পরিবেশ তৈরি করে। ফলে অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অভিষেক দেবরায় ত্রিপুরা বিজেপির নতুন প্রদেশ সভাপতি

ত্রিপুরা বিজেপির নতুন প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘোষণা

আগরতলা: ত্রিপুরার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। বিজেপির নতুন প্রদেশ সভাপতি হলেন মাতারবাড়ির বিধায়ক অভিষেক দেবরায়।

২৮ মে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁর নাম ঘোষণা করে। এর ফলে রাজ্য বিজেপিতে নতুন উদ্দীপনা দেখা গেছে।

দলীয় সূত্রের মতে, তাঁর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়াও কর্মনিষ্ঠা এবং নেতৃত্বের দক্ষতাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনের পথচলা

অভিষেক দেবরায়ের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় জাতীয় যুব কংগ্রেসে। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

২০১৭ সালে তিনি কাকড়াবন মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক হন। এরপর ধীরে ধীরে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান।

প্রথমে তিনি মন্ডল সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে গোমতী জেলা সভাপতির পদেও কাজ করেন।

ফলস্বরূপ, তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। একই সঙ্গে তাঁর নেতৃত্বের দক্ষতাও প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিধায়ক হিসেবে উত্থান

২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি মাতারবাড়ি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। এটি ছিল তাঁর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন।

এরপর তিনি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা নেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখেন।

ফলে এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

সংবর্ধনা ও মন্দির দর্শন

নতুন সভাপতি ঘোষণার পর কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ব্যাঙ্গালোর থেকে আগরতলায় ফিরলে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বহু কর্মী ও সমর্থক। এরপর একটি বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

পরে তাঁকে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান নেতাকর্মীরা।

এরপর তিনি উদয়পুরের ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে যান। সেখানে রাজ্যের মঙ্গল কামনায় পুজো দেন।

একই সঙ্গে তিনি সকলের আশীর্বাদও প্রার্থনা করেন।

নতুন সভাপতির লক্ষ্য

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক দেবরায়। তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কথা জানান।

এছাড়া তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে তৃণমূল স্তরে দলকে আরও শক্তিশালী করার কথাও বলেন।

শিক্ষা ও ব্যক্তিগত পরিচয়

অভিষেক দেবরায় ১৯৮২ সালে কাকড়াবনে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনেও তিনি সফল ছিলেন।

তিনি কর্ণাটকের রাজীব গান্ধী ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সেস থেকে বি-ফার্মেসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

সামনে যে চ্যালেঞ্জ

নতুন দায়িত্বের সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জও এসেছে। প্রথমত, তাঁকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়ও বাড়াতে হবে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি নতুন গতি পেতে পারে। তাই আগামী দিনে তাঁর ভূমিকার দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

https://www.youtube.com/@TripuraTime24

The Founding of YouTube A Short History

0

YouTube is one of the most influential platforms in modern media, but its origin story is surprisingly simple: a small team wanted an easier way to share video online. In the early 2000s, uploading and sending video files was slow, formats were inconsistent, and most websites weren’t built for smooth playback. YouTube’s founders focused on removing those barriers—making video sharing as easy as sending a link.

Who Founded YouTube?

YouTube was founded by three former PayPal employees: Chad Hurley, Steve Chen, and Jawed Karim. They combined product thinking, engineering skills, and a clear user goal: create a website where anyone could upload a video and watch it instantly in a browser.

  • Chad Hurley — product/design focus and early CEO role
  • Steve Chen — engineering and infrastructure
  • Jawed Karim — engineering and early concept support

The Problem YouTube Solved

At the time, sharing video often meant emailing huge files or dealing with complicated players and downloads. YouTube made video:

  1. Uploadable by non-experts (simple interface)
  2. Streamable in the browser (no special setup)
  3. Sharable through links and embedding on other sites

Early Growth and the First Video

YouTube launched publicly in 2005. One of the most famous early moments was the first uploaded video, “Me at the zoo,” featuring co-founder Jawed Karim. The clip was short and casual—exactly the kind of everyday content that proved the platform’s big idea: ordinary people could publish video without needing a studio.

Key Milestones Timeline

Year/Date
Milestone
Why It Mattered
2005YouTube is founded and launchesIntroduced easy browser-based video sharing
2005“Me at the zoo” is uploadedBecame a symbol of user-generated video culture
2006Google acquires YouTubeProvided resources to scale hosting and global reach

Why Google Bought YouTube

By 2006, YouTube’s traffic was exploding. Video hosting is expensive—bandwidth and storage costs rise fast when millions of people watch content daily. Google’s acquisition gave YouTube the infrastructure and advertising ecosystem to grow into a sustainable business.

What YouTube’s Founding Changed

YouTube didn’t just create a popular website; it reshaped how people learn, entertain themselves, and build careers online. Its founding helped accelerate:

  • Creator-driven media and influencer culture
  • How-to education and free tutorials at massive scale
  • Music discovery, commentary, and global community trends

From a small startup idea to a global video powerhouse, YouTube’s founding is a classic example of a simple product solving a real problem—and changing the internet in the process.

22 Voters Join IPFT in Malbasa | BJP & Tipra Leave

২৫ নং নতুন বাজার মালবাসা এলাকার অন্তর্গত জেঁটা টুইসা ভিসির ইন্দ্র কুমার পাড়ায় আজ একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ঘটনা ঘটে। এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও সক্রিয় করে তুলতে Indigenous People’s Front of Tripura (IPFT) দলের উদ্যোগে একটি যোগদান সভার আয়োজন করা হয়।

এই সভায় মোট ৭টি পরিবারের ২২ জন ভোটার Bharatiya Janata Party (BJP) এবং Tipra Motha Party ত্যাগ করে IPFT দলে যোগদান করেন। নতুন সদস্যদের দলীয় নেতারা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান না হওয়া এবং উন্নয়নের ঘাটতির কারণে তারা রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। IPFT-র নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা এই দলে যোগ দিয়েছেন বলে জানান।

সভায় উপস্থিত নেতারা বলেন, এই যোগদান সাধারণ মানুষের মধ্যে IPFT-র প্রতি বাড়তে থাকা আস্থার প্রতিফলন। তারা আরও জানান, আগামী দিনে এলাকার রাস্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে দল কাজ চালিয়ে যাবে।

এই যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই ধরণের যোগদান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।

ধনচাকমা কামিতে বুথ অফিস উদ্বোধন | জিতেন দেববর্মার জোরদার প্রচার

ধনচাকমা কামিতে বুথ অফিস উদ্বোধন, উপস্থিত জিতেন দেববর্মা

১৬ নং মান্দাই-পুলিনপুর টিটিএএডিসি কেন্দ্র জুড়ে নির্বাচনী প্রচারে গতি আরও বাড়িয়েছেন তিপ্রা মথা প্রার্থী জিতেন দেববর্মা। জনসমর্থনের জোরে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এই প্রার্থী বৃহস্পতিবারও কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জোরকদমে মাঠে নামেন।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি প্রচার, ছোট ছোট উঠান সভা এবং মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলছেন তিনি। প্রতিদিনের মতো এদিনও বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মানুষের সমস্যার কথা শোনেন এবং উন্নয়নের আশ্বাস দেন।

এদিন দক্ষিণ হদ্রাই ভিসির অন্তর্গত ধনচাকমা কামি এলাকায় ১৬/৩৭ নম্বর পোলিং স্টেশনের একটি বুথ অফিস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী জিতেন দেববর্মা, প্রাক্তন ইএম চন্দ্রদয় রূপিনী এবং তিপ্রা মথা দলের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা।

তিপ্রা মথার পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, জনসমর্থনের ঢেউয়ে এবার জয় শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

সিমনা-তোমাকাড়িতে তিপ্রা মথার জোরদার প্রচার, সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ

সিমনা-তোমাকাড়ি তিপ্রা মথা প্রচার, মঙ্গলবার সিমনা-তোমাকাড়ি টিটিএএডিসি কেন্দ্রজুড়ে জোরদার নির্বাচনী প্রচার চালালেন তিপ্রা মথা প্রার্থী রবীন্দ্র দেববর্মা। সুমিলি সাব-জোনালের পূর্ব চাঁদপুর ভিলেজ কমিটি এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া শোনেন।

এদিনের প্রচার কর্মসূচিতে শুধু বাড়ি বাড়ি প্রচারই নয়, পাশাপাশি আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে নির্বাচনী সভারও আয়োজন করা হয়। সভাগুলিতে স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যা নির্বাচনী উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রবীন্দ্র দেববর্মা রাজ্য সরকারের কাজকর্মের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষিত উন্নয়নমূলক পরিকল্পনাগুলি বাস্তবে রূপায়িত হয়নি এবং সাধারণ মানুষ এখনও নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, তিপ্রা মথা সবসময়ই জনগণের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাতে এবং মানুষের সমস্যার সমাধান করতে তিপ্রা মথাকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের প্রচার কর্মসূচি আগামী দিনে আরও জোরদার হবে বলেও জানান দলীয় কর্মীরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কেন্দ্রটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে এবং প্রতিটি দলের পক্ষ থেকেই প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে।

বোধজুংনগরে TMP-তে যোগদান | BJP ছেড়ে ৮ পরিবার টিপরা মথায়

Homchang Rally Held in Karbook Demanding Roman Script

বোধজুংনগরে TMP-তে যোগদান | BJP ছেড়ে ৮ পরিবার টিপরা মথায়

বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও দিনভর নির্বাচনী প্রচার চালানো হয়। এরপর, সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগদান সভা।

এই সভা অনুষ্ঠিত হয় রুবিরি টুইসা ভিলেজ এলাকায়। এটি ১৪ নম্বর বোধজুংনগর-ওয়াখিনগর কেন্দ্রের অন্তর্গত।

এদিকে, ওইদিন রাতে একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা যায়। Bharatiya Janata Party (BJP)-এর বুথ সেক্রেটারির নেতৃত্বে ৮টি পরিবার দল ছাড়ে। মোট ২০ জন ভোটার Tipra Motha Party (TMP)-তে যোগ দেন।

পরে, প্রার্থী শ্রী রুনিয়েল দেববর্মা সভায় উপস্থিত থাকেন। তিনি নতুন সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। পাশাপাশি, তিনি সবাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, মানুষ এখন নিজেদের অধিকার নিয়ে সচেতন। তাই, তারা টিপরা মথার প্রতি আস্থা রাখছে। এর ফলেই যোগদান বাড়ছে।

অন্যদিকে, স্থানীয় সূত্র জানায় যে TMP-র সংগঠন শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষ করে, গ্রামীণ এলাকায় দলের প্রভাব বাড়ছে।

তবে, এই ঘটনায় বিজেপি শিবিরে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, দুই দলই নিজেদের প্রচার আরও জোরদার করছে।

সবশেষে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বুথ স্তরের পরিবর্তন সরাসরি ভোটে প্রভাব ফেলে। তাই, এই ঘটনাকে আগামী নির্বাচনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

করবুকে বিজেপিতে যোগদান: টিএমপি ছেড়ে ৩১টি পরিবার, ৯৭ জন ভোটার বিজেপিতে সামিল

Karbook BJP joining, আজ ২৫ নম্বর নতুন বাজার মালবাসা এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। টিপরা মোথা পার্টি (TMP) ছেড়ে মোট ৩১টি পরিবার এবং প্রায় ৯৭ জন ভোটার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-তে যোগদান করেছেন।

এই যোগদান কর্মসূচি করবুক মন্ডল অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ভিসি (VC) এলাকা থেকে আসা পরিবারগুলির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

মন্ডল সভাপতি শ্রী অশিম ত্রিপুরা নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান এবং তাঁদেরকে দলের পতাকা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি বলেন,
“বিজেপির উন্নয়নমূলক কাজ এবং মানুষের প্রতি প্রতিশ্রুতির কারণেই আজ বহু মানুষ স্বেচ্ছায় দলে যোগ দিচ্ছেন।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন টিপরা মোথা পার্টির সমর্থক সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং বিজেপির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের যোগদান ভবিষ্যতের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে এবং আগামী দিনে আরও বড় ধরনের যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

করবুক থেকে তিয়ারি মাইরাং TMP-র মেগা বাইক র‍্যালি | ১০০০-এর বেশি…

Karbook BJP Nomination Rally | Abindra Reang Files Papers

কুঞ্জরি মগপাড়ায় অসহায় পরিবারের পাশে অবিন্দ্র রিয়াং

কুঞ্জরি মগপাড়ায় অসহায় পরিবারের পাশে বিজেপি প্রার্থী অবিন্দ্র রিয়াং

ত্রিপুরা, ২৫ নতুন বাজার মালবাসা:
এক মানবিক উদ্যোগের নজির গড়ে কুঞ্জরি মগপাড়ায় এক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বিজেপি প্রার্থী শ্রী অবিন্দ্র রিয়াং। সম্প্রতি প্রবল ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারের দুর্দশার কথা জানার পর তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাইলাফ্রু মগ নামের এক ব্যক্তি গত ৫ থেকে ৬ বছর ধরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে তিনি কোনও কাজ করতে পারেন না এবং সম্পূর্ণরূপে পরিবারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এতদিন তার স্ত্রী দিনমজুরি করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন।

কিন্তু সম্প্রতি প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় তাদের কাঁচা বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে পরিবারটি এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এবং মাথা গোঁজার ঠাঁইও প্রায় নেই।

এই পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে বিজেপি প্রার্থী শ্রী অবিন্দ্র রিয়াং দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চাইলাফ্রু মগের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

তিনি জানান, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য দ্রুত সাহায্যের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় এলাকাবাসীর সঙ্গেও তিনি কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। স্থানীয়রা তার এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে।

বর্তমানে চাইলাফ্রু মগের পরিবার সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কত দ্রুত এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো হয়।

Tipra Motha যোগদান ৬ পরিবার | গোমতীতে BJP ধাক্কা

গোমতীর গতিরাম পাড়ায় BJP ছেড়ে Tipra Motha-তে ৬ পরিবারের যোগদান, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

Tipra Motha যোগদান ৬ পরিবার, আসন্ন পাহাড়ি নির্বাচনকে সামনে রেখে Tipra Motha Party তাদের সংগঠন আরও শক্তিশালী করছে। তাই বিভিন্ন এলাকায় জোরদার প্রচার ও জনসংযোগ চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার গতিরাম পাড়ায় একটি যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

এদিকে, Bharatiya Janata Party (BJP) থেকে ৬টি পরিবার দলত্যাগ করে। পরে তারা Tipra Motha Party-তে যোগ দেন। জানা গেছে, এই পরিবারগুলির মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ জন।

যোগদানকারীরা জানান, তারা উন্নয়নের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া পাহাড়ি মানুষের অধিকার রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী Sujay Uchoi। এছাড়াও ছিলেন বিধায়ক Patan Lal Jamatia এবং Youth Tipra Federation (YTF)-এর সদস্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, Tipra Motha Party মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও রাস্তাঘাট উন্নয়নে দল কাজ করছে।

তাছাড়া তারা দাবি করেন, ২০২৬ নির্বাচনে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে। ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে।

শেষে নবযোগদানকারীদের দলীয় পতাকা পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়। অবশেষে সভাটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

RECOMMENDED VIDEOS

POPULAR